Humans of Thakurgaon > Stories > Ajmat Rana


"আমার জীবনের গল্পটা ঠিক সফলতার বলা যায় না, অনেকটা ব্যর্থতারই বলা চলে। বেশিরভাগ মানুষ বিশ্বাস করে না যদিও!

আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে পড়াশোনা তেমন একটা হয়নি। বাবা ছিলেন একজন সাধারণ শ্রমিক। এসএসসি পাশ করেই একটি আধা স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে ছয়শ' টাকা ভাতা দিয়ে আমার কাজের শুরু।

একাডেমিক কোয়ালিফিকেশন তেমন একটা না থাকা সত্ত্বেও আমি প্রচুর পড়তাম। বাড়ি থেকে সাত কিলোমিটার দূরে একটি লাইব্রেরী ছিল; সেখানে পায়ে হেঁটে আমি বই আনতে যেতাম। এভাবে পড়তে পড়তেই লেখালেখির শুরু আরকি। কলাম লেখা শুরু করি এখন থেকে প্রায় বিশ বছর আগে। নির্দিষ্ট কোনো পত্রিকার সাথে সংযুক্ত ছিলাম না, মুক্তভাবেই লেখালেখি করতাম। তবে জাতীয় ও আঞ্চলিক দৈনিক পত্রিকা যখন যেখানে লিখতাম মোটামুটি ছাপা হতো।

বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ছাপা লেখাগুলো নিয়ে ২০১৪ সালে 'বন্ধু বন্ধু খেলা' নামে আমার প্রথম বই বের হয়। তারপর ২০১৬ সালে বের হয় একটি উপন্যাস 'ফেরার পথে ওরা তিনজন'। আর এবার বইমেলায় লিখেছি নিজের হারাবার গল্প, ব্যার্থতা আর পতনের গল্প! নাম 'অন্ধ রাজা ও বোকা রাজপুত্রের গল্প'।

ইদানিং ঠাকুরগাঁও এর পুরোনো কিছু মানুষদের নিয়ে লিখি। যাদেরকে বর্তমানে অনেকেই চেনেন না, কিন্তু এক সময় তাঁরা নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে উজ্জ্বল অবদান রেখেছেন। এসব মানুষের সাথে কথা বলে আমার বিচিত্র কিছু অভিজ্ঞতা হয়েছে যা আমাকে অবাক করে। আমি সব সময় ভাবতাম, মানুষের চাওয়ার বুঝি কোন শেষ নেই। কিন্তু এ মানুষগুলোর বেশিরভাগই বলেছেন, তাঁরা জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট। তাঁদের তেমন কোনো চাওয়া বা হতাশা নেই!

বর্তমানে সমাজে যেমনটা দেখা যায়, মানুষ আগে টিভি-ক্যামেরা, সাংবাদিক এসব ডেকে নিয়ে তারপর ৮-১০ টা কম্বল বিতরণ করে! অথচ আমি ২৩ বছর আগে থেকেই বেতন থেকে টাকা বাঁচিয়ে মানুষকে যতটা পারি সাহায্য করতাম, কেউ জানতো না। কারণ আমার ধর্ম আমাকে শিখিয়েছে, ডান হাতে দান করলে বাঁ হাত যেন না জানে!"


“The story of my life cannot be told quite as a story of success, more or less failure it is. Though most people do not believe it!

I could not continue my academic career far due to my low economic condition. My father was an ordinary worker.  After passing the secondary examination, I joined a semi-autonomous organization beginning with the allowance tk. 600 only.

Although I had not much academic qualifications, I loved to read more. I used to walk a seven-kilo-distant library from home to fetch books. Thus with the habit of reading, my writing began to start. I have started writing columns about twenty years ago from today. I was not attached to any specific journal, I used to write as a freelancer. But, whether it is a national or regional journal, If I would send writings, they used to publish it. 

I published a book named 'Bondhu Bondhu Khela' in the year 2014 which consists my articles from different journals or magazines. A novel 'Ferar Pothe Ora Tinjon' was published during 2016. And this year (2018) I have written the story of my greatest loss, my biggest failure and my largest downfall 'Ondho Raja O Boka Rajpurter Golpo'.

Currently, I use to write about the old people of Thakurgaon, who are almost unknown to most of the people, but they have made a brilliant contribution to their work. I was surprised to learn something amazing by interviewing them. I always thought that, people's demands are unending. But these extraordinary individuals has informed me that, they are happy with life and want nothing more! They have neither any demand nor any disappointment!

You see nowadays, people call cameraman and journalists before distributing among needy people to show-off. But with the extra tiny savings from my little salary, I used to help people as far I could, for 23 years now, no one used to know! Because, my religion has taught me that, if you donate with your right hand, the left shouldn't know!”


76 August 25, 2019

  • comment Load Comments Section

    question_answer Comments

    No new comments.

Go back to Stories